মানসিক অবসাদের চিকিৎসা

740 Views 0 Comment
মানসিক অবসাদের চিকিৎসা
  • মেলানকোলি থিওরি : গ্রিকভাষায় ‘মেলান’ কথাটার মানে ‘কালো’ আর ‘কোলি’ কথাটার মানে ‘পিত্ত’।এভাবেই ‘মেলানকোলি’ কথাটার উৎপত্তি হয়েছে।অনেক আগের যুগে অবসাদের কারণ হিসাবে ‘মেলানকোলিথিওরি’ চালু ছিল।আমাদের পিত্তথলিতে কালো রঙের পিত্ত জমা হলে, তা অবসাদের অন্যতম কারণ হিসাবে পরিগণিত হত।যাইহোক, এই তত্ত্ব আজ অচল।
  • পার্সোনালিটি ডেভিয়েশন থিওরি : বৈজ্ঞানিক মনঃসমীক্ষার নিরিখে মানব মনের বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিত্বের তিনটি অংশের সন্ধান পাওয়া গেছে।আমাদের মন যখন ডিপ্রেসিভ সাইকোসিসের কবলে পড়ে এর ফলে রোগী যখন তার সহজাত জৈবিক চাহিদা গুলোকে পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় তখন ক্রমশ তার মধ্যে দেখা দেয় হতাশা, গিল্ট-ফিলিং, অপরাধবোধ, বিষণ্নতা, উৎসাহহীনতা, কর্মবিমুখতা ও আত্মহননের ইচ্ছা।
  • হেরিডিউটারিটেন্ড : যারা জন্মগত ভাবে কুঁড়ে, অলস, কর্মবিমুখ, উৎসাহ রহিত, বিষণ্নতাপ্রবণ ও নিরাশাবাদী, তারা পরবর্তী জীবনে অবসাদের শিকার হয়ে পড়েন।
  • জেনেটিক কজ : বংশধারায় নিকট আত্মীয়দের এই রোগ থাকলে পরবর্তী প্রজন্মে তা সঞ্চারিত হতে পারে।
  • অ্যাবনর্মাল জিন সিনড্রোম : মস্তিষ্কের রাসায়নিক সেরোটোনিনের কথা আমরা জানি।সেই সেরোটোনিন ট্রান্সপোর্টার জিনের অস্বাভাবিকতার জন্য বায়োজেনিক ডিপ্রেসন দেখা দেয়।
  • ওবেস ফিজিক্যাল কনস্টিটিউশন: মোটাওবেঁটে ধরনের ব্যক্তিদের মধ্যে অবসাদের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
  • মেডিকেল ডিপ্রেসন : বেশি কিছু অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের প্রভাব মানসিক অবসাদ আসেবলে প্রমাণিত।হোমিওপ্যাথিকে উচ্চরক্তচাপ কমানোর কার্যকরী ওষুধ সর্পগন্ধা অতিরিক্ত ব্যবহারে সাময়িক বিষণ্নতা দেখা দিতে পারে।
  • হাইপোথ্যালামাস ও প্যাপেজ সার্কিটের অসামঞ্জস্য : আমাদের হায়ার কগনিটিভ ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে হাইপোথ্যালামাস ও প্যাপেটসার্কিট। এদের স্বাভাবিক ক্রিয়া কলাপ ব্যাহত হলে মানুষ অবসাদে আক্রান্ত হতে পারে।
  • নিউরোট্রন্সমিটার অ্যাবনর্মালিটি : মস্তিষ্কে মনো অ্যামাইনো-অক্সিডেজের ক্ষরণ কম হলে মানুষ বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন হতে পারে।
  • হরমোনের সমস্যা : গ্রোথ হরমোনের কম রেসপন্সের জন্য, ট্রেপটোফ্যান বা অ্যাসিটাইল-কোলিনের বেশি রেসপন্সের জন্য মানসিক অবসাদ আসতে পারে।
  • পার্সোনালিটি ফ্যাক্টর : যে সকল ব্যক্তিদের অবসেসিভ কমপালসিভ পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার থাকে, তারা খুবই খুঁতখুঁতে ও সময়নিষ্ঠ হয়ে থাকেন।অটোম্যাটিক হাইপার অ্যারাউজ্যালের জন্য এদের উত্তেজিত আবেগ জনিত প্রণোদনা দেখাযায় এবং আবেগের বিকৃতির পরিণতিতে এরা অবসাদে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
  • ডিজিজ ডায়া থেসিস : দীর্ঘদিন বেদনাদায়ক কঠিন অসুখে ভুগলে অবসাদ আসে।ক্যানসার, পারকিনসন্স, হার্টঅ্যাটাক বা সেরিব্রো-ভাস্কুলার অ্যাক্সিডেন্টের পর অবসাদের প্রকোপ বাড়ে।
  • সামাজিক কারণ : সামাজিক নানা রকম কারণে মানসিক অবসাদ গ্রাস করে।যেমন—
  • দারিদ্র, বেকারত্ব ও ঋণগ্রস্ত অবস্থা।
  • সাম্প্রতিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে ক্রমাগত মানসিক চাপ।
  • বৈবাহিক জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তিওদাম্পত্যকলহ।
  • মদ্যপান ইত্যাদি নেশার সামগ্রী অত্যধিক সেবনে অবসাদ আসতে পারে। সেই জন্য ড্রাগডিপেনডেন্স কে ডিপ্রেসিভ ইকুইভ্যালেন্ট বলা হয়ে থাকে।মাদকসক্তদের মধ্যে তাই মানসিক অবসাদের কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি।
  • সাইকোজেনিক কজ : ব্যক্তির কামনা-বাসনার (লিবিডো) সাথে তার প্রকৃত সামর্থের সামঞ্জস্য না থাকলে মানসিক অবসাদ দেখা দেয়।
  • সাংস্কৃতিক কারণ : আমরা এখন এক চূড়ান্ত সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ের যুগে বাস করছি।এরফলশ্রুতিতে বয়ঃসন্ধিকালের একটি ছেলে বা মেয়ে তার চারপাশের পরিবেশ থেকে বিকৃতির দীক্ষা পেয়ে  যাচ্ছে।তার অবচেতন মনে গৃহীত সেই সব বিকৃতির প্রভাবে ক্রমশ সে উদ্বেগ ও উত্তেজনায় ছটফট করতে থাকে।মানসিক এই স্বাস্থ্যহানির কারণে কেউ কেউ বাস্তব থেকে পালিয়ে কল্পনার জগতে বাস করতে করতে স্কিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে ।কেউ বা আবার অপরাধ প্রবণ হয়ে অবশেষে অ্যান্টি সোশাল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের শিকার হয়ে পড়ে।অনেকে আবার না পাওয়ার হতাশা থেকে অবসাদ  আত্মহত্যার পথ বাছে।

মানসিক অবসাদের চিকিৎসা

  • অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ : মনোরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক অ্যান্টিসাইকোটিক মেডিকেশন ও ট্রাই-সাইক্লিকঅ্যান্টি-ডিপ্রেশন্ট অথবা টেট্রা-সাইক্লিকঅ্যান্টি-ডিপ্রেশন্টব্যবহার করা হয়।
  • ইলেকট্রো কনভালসিভ থেরাপি (ই.সি.টি) : এইপ্রণালীতে প্রদেয় বৈদ্যুতিক শক থেরাপি বিষণ্ন ও অবসাদগ্রস্ত রোগীদের প্রভূত উন্নতির ঘটায়।মানসিক অবসাদে যে সমস্ত রোগী খাদ্যগ্রহণ বন্ধ করে দেয় বা আত্মহত্যার চেষ্টা করে, তাদের জন্য ইলেকট্রো কনভালসিভ থেরাপি একান্ত অপরিহার্য চিকিৎসা।
  • সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং : যে তিন রকমের কাউন্সেলিং পদ্ধতি সুফলদায়ক তা হল ডাইরেক্টিভ কাউন্সেলিং, নন-ডাইরেক্টিভ কাউন্সেলিং এবং একলেকটিক কাউন্সেলিং।সর্বক্ষেত্রেই ব্যক্তির কামনা-বাসনা আর চাওয়া-পাওয়ার সাথে তার প্রকৃত সামর্থের কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সামঞ্জস্য বিধান করতে হবে।
  • সাইকো থেরাপি টেকনিক্স : মনোচিকিৎসার নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে অবসাদের চিকিৎসা করতে হবে।
  • কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি।
  • ইন্টার-পার্সোনাল সাইকো অ্যানালাইটিক সাইকোথেরাপি।
  • সাপোর্টিভ ও এক্সপ্রেসিভ সাইকোথেরাপি।
  • কাথারসিস ও ফ্রি-অ্যাসোসিয়েশন মেথড অফ সেকশনাল সাইকো-অ্যানালিসিস।
  • ক্রাইসিস ইন্টারভেনশন ও বিহেভিয়ার মডিফিকেশন।

মানসিক অবসাদের চিকিৎসা

মানসিক অবসাদ যদি আপনার জীবন সংশয়ের কারণ হয়ে ওঠে, তবে তৎক্ষণাৎ সাইকোথেরাপিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকো-লজিস্টের পরামর্শ নিন।আজকের দিনে জটিল আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ডিপ্রেসন আমাদের জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করে দিচ্ছে। প্রায়শই আমরা অ্যান্টি-ডিপ্রেসিভ ড্রাগস খেয়ে সমস্যাকে আরও জটিলতর করে তুলছি।এখানে মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে মনস্তত্ত্ববিদ্যার আলোকে কিছু দরকারী তথ্য উপস্থাপন করছি।

  • অবসাদগ্রস্ত মানুষকে সবসময় বুঝিয়ে দিতে হবে যে বাড়ির অন্যেরা সর্বদা তার পাশে আছেন এবং তার অবসাদের কারণ খুঁজে তার প্রতিকারের জন্যে আত্মীয় পরিজন সবাই আন্তরিক চেষ্টা করছেন।
  • মাঝে মধ্যে আপনার প্রিয় গান বা লঘুশাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনন। আজকাল বিদেশে মিউজিক থেরাপি চালু হয়েছে ডিপ্রেসন কাটিয়ে ওঠার জন্য।সেজন্য এমন গান শনুন যা আপনার মানসিক শান্তি পুনরুদ্ধারে কার্যকরী ভূমিকা নেবে।
  • অবসাদ কাটাতে কোনো কথাই নিজের মনে গোপনে রাখবেন না।আপনার সমস্যার ব্যাপারে সমমর্মী কোনো ব্যক্তিকে আপনার মানসিক অবস্থার অংশীদার করে নিন।
  • সেল্ফ কাউন্সেলিং করে নিজের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।পারিবারিক ও সামাজিকভাবে নিজের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হোন।তবে মানসিক অবসাদগ্রস্থ অবস্থায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না।
  • নেগেটিভ পিপলদের থেকে সর্বদা দূরে থাকুন।
  • বিশেষ ধরনের ব্যায়ামের সাহায্যে অবসাদের মাত্রা কমিয়ে আনা যায়।বাড়ির থেকে দূরে কোনো অচেনা রাস্তায় বেশ খানিকটা হেঁটে আসুন।পুকুরে সাঁতার কাটুন বা যোগব্যায়াম অভ্যাস করুন।
  • দিনের বেশ খানিকটা সময় শিশুদের সাথে খেলাধুলা করে কাটান।এজন্যে প্রথমে ঘর থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকুন।ডিপ্রেসন কমাতে অবসর সময়ে ভালো বন্ধুদের ফোন করার অভ্যাস করুন।
  • আপনার মেন্টাল ডিপ্রেসন সংক্রান্ত সমস্যার ব্যাপারে মনোচিকিৎসক বা সাইকো-থেরাপিস্টের পরামর্শ অবশ্যই নিন।কিন্তু আপনি নিজের উদ্যোগ পত্র-পত্রিকা, বইপত্র পড়ে অবসাদ কাটানোর প্রাসঙ্গিক তথ্যাবলী জানার চেষ্টা করুন।এইভাবে অর্জিত আত্মবিশ্বাস আপনাকে অবসাদগ্রস্ত অবস্থা থেকে মুক্তির পথ দেখাবে।
  • যে সমস্যার সমাধান অসম্ভব ভেবে আপনি অবসাদগ্রস্ত তা কখনো অন্তরঙ্গ বন্ধুকে খুলে বলুন।জীবনে যা যা পাননি তার জন্যে দুঃখপ্রকাশ বা অভিযোগ-অনুযোগ না করে যা যা পেয়েছেন তার জন্য ঈশ্বর কে ধন্যবাদ দিন।
  • অনেকদিন একা থাকতে থাকতে মানুষ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে।তাই চেষ্টা করুন পরিবার-পরিজনদের সান্নিধ্যে থাকতে।তাছাড়া, এমন বন্ধুদের সংস্পর্শে থাকুন যারা আপনার অবসাদগ্রস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠতে যথাযথ সহযোগিতা করতে পারেন।আপনার বন্ধুরা যদি পজিটিভ  অ্যাটিচিউডের হন, তাহলে তারা আপনার মনের  জোর বাড়াতে সাহায্য করতে পারেন।
  • প্রাণখোলা হাসি টেনশন ও ডিপ্রেসন কাটানোর মোক্ষম দাওয়াই।সুস্থ রুচির জোক্সের বই পড়তে পারেন।টেলিভিশনে আজকাল অনেক মজার অনুষ্ঠান হয়।সময় ও সুযোগ করে সেগুলো দেখতে পারেন।বর্তমানে পাড়ায় পাড়ায় লাফিং ক্লাব চালু হয়েছে—সেখানে সম্ভব হলে যোগ দিতে পারেন।
  • মানসিক অবসাদ কাটাতে নানাবিধ ধর্মীয় পুস্তক আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
  • আপনার মেন্টাল ডিপ্রেসনের জন্যে কোনো শারীরিক সমস্যা দায়ী কিনা জানার চেষ্টা করুন।দিনে অন্তত সাত-আটঘন্টা ঘুমোন, হালকা ব্যায়াম করুন এবং সম্ভব হলে ‍কিছুটা সময় ধ্যান অনুশীলন করুন।মনের ভারসাম্য বজায় রাখতে মেডিটেশনের জুড়ি নেই।
  • দিনের কাজ দিনের দিন করতে শিখুন।প্রাত্যহিক কাজকর্ম নিয়মিত সেরে রাখার অভ্যাস থাকলে অযথা টেনশন হয়না। টাইম ম্যানেজমেন্টের আদব কায়দা জানলে অনেক টেনশন থেকে মুক্ত থাকা যায়।
  • যাতে আপনি মানসিক শান্তি পাবেন এমন সামাজিক কিংবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করুন।অনেক সময় একাকীত্ব থেকে অবসাদের জন্ম হয়।সেজন্য একা না  থেকে  নানা  ধরনের লোকজনের সাথে মিশে থাকার চেষ্টা করুন।একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেলে আপনাকে  মানসিক অবসাদের উপশম হবে।
  • আপনার জীবনের প্রাত্যহিক ঘটনা ক্রমে পার্সোনাল ডায়েরি তে লিখে রাখুন।এতে আপনার সমস্ত অনুভূতির বাহ্যিক প্রকাশ হবে যা আপনার মানসিক অবসাদ কাটাতে যারপরনাই সাহায্য করবে।
  • জীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোই সহজভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করুন।নিজেকে বাস্তববাদী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করুন।অযৌক্তিক চিন্তা ও অবাস্তবভাবনা মনে লালন করবেন না।তাতে না পাওয়ার যন্ত্রণা আপনাকে অবসাদগ্রস্ত করে তুলতে পারে।ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে সফলকাম করে তুলুন।
  • অবসাদ যখন মানুষ কে গ্রাস করে, তখন মানুষ আলস্য প্রবণ হয়ে ওঠে।সেই আলস্য কাটিয়ে উঠতে কিছু কাজ নিজে হাতে করুন।ঘর-বাড়ি  পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন এবং সুন্দর করে সাজান।বাড়ি সংলগ্ন বাগান পরিচর্যা  করুন।কিচেন গার্ডেনে শাক সবজি, ফলমূল চাষ করুন।ভালো কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারলে নিজেকে অবসাদ থেকে দুরে রাখতে পারবেন।
  • হঠাৎ কোনো বড় কাজে হাত দেবার আগে ছোট ছোট কাজ সফল ভাবে সম্পাদন করার দিকে মনোযোগ দিন। গঠন মূলক কাজের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিলে আপনি নিজেকে ডিপ্রেসন থেকে দূরে রাখতে পারবেন।নানবিধ নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন আমাদের সমাজে  বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো ভালো কাজ করে।আপনিও  কিছুটা সময় ভালো এন.জি.ও-র মাধ্যমে সেবা মূলক কাজে নিয়োজিত হতে পারেন।
  • যদি আপনি গভীর ভাবে অবসাদগ্রস্ত হন, তাহলে কোনো কথাই নিজের মনে গোপন না করে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলর বা সাইকোথেরাপিস্টের কাছে গিয়ে খুলে বলুন।তিনি আপনাকে অবসাদ থেকে মুক্তির উপায় বলে দেবেন।

  • সৌজন্যে: ‘সুস্বাস্থ্য’ – কলকাতা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় স্বাস্থ্য বিষয়ক ম্যাগাজিন
0 Comments

Leave a Comment