শিশুদের শ্বাসকষ্ট

78 Views 0 Comment

আজকালকার শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা অত্যন্ত বেশি দেখা যায় । সদ্যোজাত শিশু থেকে কিশোর-সবার ক্ষেত্রে এর প্রকোপ প্রায় সমান । ঋতু পরিবর্তনের সময়, বর্ষায়, শীতে বাড়ে শাসের কষ্ট ।

শ্বাসকষ্টের লক্ষণ

কাশি : ক্রমাগত কাশি শিশুদের শ্বাসকষ্টের প্রধান লক্ষণ । কাশি বিভিন্ন কারণে হতে পারে । যেমন ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ থেকে , হাঁপানি থেকে , এমনকী মনোরগের কারণেও হতে পারে । এছাড়া বিভিন্ন জন্মগত রোগের জন্যও কাশি হতে পারে । যেমন সিস্টিক ফাইব্রোসিস ।

নিঃশ্বাসের কষ্ট:  জোরে জোরে নিঃশ্বাস নেওয়া শাসকষ্টের অন্যতম প্রধান লক্ষণ । ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের কারণে , হৃদরোগজনিত কারণে , বুকের খাচার গঠনগত তারতম্যে , নার্ভঘটিত রোগে বা বিভিন্ন মেটাবলিক রোগের জন্য শ্বাসকষ্ট হতে পারে ।

নিঃশ্বাসের শব্দ : শ্বাসনালীতে বিভিন্ন রকম বাধার কারণে নিঃশাসে শব্দ হয় ।

স্ট্রাইডর: শাসনালীর ওপরভাগে কোনও বাধা থাকলে এইরকম শব্দ হয় ।

হুইজ: বুকে স্টেথোস্কোপনা বসিয়ে বাইরে থেকেই এই আওয়াজ শোনা যায় । শ্বাসনালীর নিম্নভাগে কোনও বাধা থাকলে এই আওয়াজ হয় ।

শ্বাসকষ্টের পরীক্ষা-নিরীক্ষা

এক্স-রে : বুকের এক্স-রে শ্বাসকষ্টের বিভিন্ন । কারণের জন্য সবচেয়ে বেশি করা হয় ।

ব্রঙ্কোস্কোপি : শ্বাসনালীর গঠনগত কোনও সমস্যায় বা শ্বাসনালী থেকে কোনও বাইরের হয় । জিনিস বার করতে বা শ্বাসনালী থেকে কফের নমুনা নিতে বা অজ্ঞান করার জন্য ব্রঙ্কোস্কোপির ব্যবহার হয় ।

পালমোনারি ফাংশন টেস্ট : ফুসফুসের সং-কোচন-প্রসারণ ক্ষমতা মাপার জন্য এর ব্যবহার হয়।

রক্তে গ্যাসের নমুনা : রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের পারসিয়াল প্রেসার ৬০ – এর কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রেসার ৫০ – এর বেশি হলে রেসপিরেটরি ফেইলিওর বলে ।

ঘামে ক্লোরাইডের মাত্রা : সিস্টিক ফাইব্রোসিসে শিশুদের ঘামে ক্লোরাইডের মাত্রা ৬০ – এর বেশি বেড়ে যায়

নিউমোনিয়া

বাচ্চাদের শ্বাসকষ্ট জনিত রোগের অন্যতম প্রধান কারণ নিউমোনিয়া । পাঁচ বছরের নীচে বাচ্চাদের মৃত্যুর মধ্যে ১৯ % নিউমোনিয়া জনিত । অনুন্নত বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৩ মিলিয়ন বাচ্চা নিউমোনিয়ায় মারা যায় । জন্মের সময় কম ওজন, অপুষ্টি, ভিটামিন এর অভাব, বুকের দুধের অভাব, বাবা – মায়ের ধূমপান, আর্থিক দুরবস্থা, বড় পরিবার, রোগের পারিবারিক ইতিহাস, কম বয়স, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি কারণে নিউমোনিয়া বেশি হয় ।

বিভিন্ন কারণে নিউমোনিয়া হয় । যেমন —

• ভাইরাস: আর.এস.ভি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা,  অ্যাডেনোভাইরাস প্রায় ৪০ % নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী ।

ব্যাক্টেরিয়া : প্রায় ২ / ৩ ভাগ নিউমোনিয়া ব্যাক্টেরিয়ার জন্য হয় । জন্মের প্রথম দু’ মাস ক্লেবসিলা , ই – কোলাই , নিউমোকক্কাই স্ট্যাফাইলোকক্কাইব্যাক্টেরিয়ার জন্য নিউমোনিয়া হয় । তিন মাস থেকে তিন বছরের মধ্যে নিউমােককাই , এইচ . ইনফ্লুয়েঞ্জা স্ট্যাফাইলোকক্কাইয়ের জন্য নিউমোনিয়া হয় তিন বছরের পর মূলত নিউমােকক্কাই আর স্ট্যাফাইলোকক্কাই – এর জন্য নিউমোনিয়া হয় ।

• ক্ল্যমাই ডিয়া , মাইকোপ্লাসমা , নিউমোসিস্টিস ক্যারিনি ইত্যাদি বিভিন্ন রকম জীবাণুর জন্য নিউমোনিয়া হয় ।

•বিভিন্ন রকম ফাঙ্গাস, কৃমি ইত্যাদির কারণেও নিউমোনিয়া হয় ।

•এছাড়া খাদ্য , কেরােসিন তেল বা অন্যান্য কিছু শাসনালীতে গেলে নিউমোনিয়া হয় । ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত নিউমোনিয়ায় সাধারণত জ্বর বেশি হয় । সাথে মাথাব্যথা , কফ ইত্যাদি । বাচ্চা নিস্তেজ হয়ে পড়তে পারে, স্বাস – প্রশ্বাস জোরে জোরে নেয় । বুক জোরে জোরে ওঠা নামা করে । বাচ্চার খেতে অসুবিধা হয় এবং বাচ্চা নীল এবং নিস্তেজ হয়ে যায় । স্টেথোস্কোপ দিয়ে শুনলে বুকের আওয়াজ কম শোনা যায় । ক্রেপিটিশন এবং ব্রঙ্কিয়াল আওয়াজ শোনা যায় ।

স্ট্যাফাইলোকক্কাল , হিমোফাইলাস বি ইত্যাদি নিউমোনিয়ায় ফুসফুস ছাড়া অন্যান্য অঙ্গ ও আক্রান্ত হয় । যেমন মস্তিষ্ক , হাড় , জয়েন্ট , হৃৎপিন্ড ইত্যাদি । পেনিসিলিন জি দিয়ে মুলত নিউমোনিয়ার চিকিৎসা হয় । না হলে অ্যাম্পিসিলিন , সেফট্রায়োক্সোন ইত্যাদি ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করতে হয় । সাথে কখনো কখনো অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড দিতে হয়।

প্লুরাল ইফিউশন

বুকে কোনও কারণে জল জমলে তাকে প্লুরাল ইফিউশন বলে । মূলত যক্ষ্মা ছাড়াও নিউমোনিয়া , হার্ট ফেলিওর , পেরিকার্ডাইটিস ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে বুকে জল জমতে পারে ।এই জন্য মূলত কাশি বা শ্বাসকষ্ট হয় । স্টেথেস্কোপ দিয়ে শুনলে নিঃশ্বাসের আওয়াজ কম শােনা যায় ।

জল বেশি জমলে সুচ দিয়ে তা বার করতে হয় এবং সংশ্লিষ্ট রোগের চিকিৎসা করতে হয় ।

এমফাইমা থোরাসিস

বুকের মধ্যে পুঁজ বা রক্ত জমলে তাকে এমফাইমা থোরাসিস বলে । স্ট্যাফাইলোকক্কাস নিউমোনিয়ায় মূলত এটা হয় । বুকে পুঁজ থাকার জন্য জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হয় ।

বেশি ডোজে কড়া অ্যান্টিবায়ােটিক দেওয়া হয় ও বুক থেকে পুঁজ বার করতে হয় ।

ব্রঙ্কিওলাইটিস

জন্মের প্রথম ছ’ মাসের মধ্যে সাধারণত এই রোগ হয় । মূলত শীতকালে রেসপিরেটরি সিনসিটিয়াল ভাইরাসের জন্য হয় এই রােগ । এছাড়াও প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস , অ্যাডেনোভাইরাস , ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের জন্যও এই রোগ হয় । বুকের দুধে থাকা lgA  অ্যান্টিবডি এই রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে ।

শ্বাসনালীতে সংক্রমণের মাধ্যমে এই রোগের সূচনা হয় । বাচ্চা জোরে জোরে শ্বাস নেয় এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয় । সাথে জ্বর থাকতে পারে এবং বাচ্চা নীলও হয়ে যেতে পারে । বাচ্চা যতটা অসুস্থ হয় , সে তুলনায় পরীক্ষা – নিরীক্ষায় অত কিছু পাওয়া যায় না ।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিন থেকে সাতদিনের মধ্যে বাচ্চা আপনা-আপনি সেরে যায় । মূলত অক্সিজেন দিয়েই বাচ্চা সুস্থ হয়ে যায় । কোনও কোনও ক্ষেত্রে স্যালাইনের প্রয়োজন হতে পারে । অসুস্থবাচ্চাদের রিভাইরিননামে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ দেওয়া যেতে পারে । প্যালিভিজুমার নামক আর.এস.ভির প্রতিষেধক অ্যান্টিবডিরও ব্যবহার কোনও কোনও ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য । সালবুটামল এবং ই প্রাট্রোপিয়াম ব্রোমাইড নেবুলাইজারের মাধ্যমে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যেতে পারে ।

ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা বা হাঁপানি

এখনকার শিশুদের শ্বাসকষ্টের অন্যতম প্রধান কারণ হাঁপানি । পরিবেশগত দূষণের জন্য দিনে দিনে এই রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে । স্কুলে যাওয়া বাচ্চাদের মধ্যে ৪-২০% বর্তমানে হাঁপানিতে আক্রান্ত । গত দু ’ দশকে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অন্তত দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে । বিভিন্ন কারণের জন্য হাঁপানি বেশি পরিমাণে হয় । তাদের মধ্যে অন্যতম হল — পরিবেশগত হাঁপানির বা অ্যালার্জির ইতিহাস , শিশু অবস্থায় ব্রঙ্কিওলাইটিস রোগ , বাল্যাবস্থায় বিভিন্ন অ্যালার্জেনের প্রভাব এবং বাবা – মায়ের ধূমপান ।

হাঁপানির কারণ : শ্বাসনালী তিনটি স্তর নিয়ে তৈরি । একেবারে নীচের ভরকে মিউকাস মেমব্রেন , তারপরে স্কুল মাসল এবং শেষে কার্টিলেজ । বিভিন্ন অ্যালার্জেন , ভাইরাসের সং ক্রমণ ও বিভিন্ন উদ্দীপকের মিউকাস ভরে ইনফ্লামেশনের ফলে মিউকাস মেমব্রেন ফুলে ওঠে , মিউকাস ক্ষরিত হয় এবং শ্বাসনালীর মধ্যে প্লাগ তৈরি হয় এবং এর ভেতর দিয়ে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না । ফলে শ্বাসকষ্ট হয় ।

কোনও উদ্দীপকের প্রভাবে দশ মিনিটের মধ্যে প্রাথমিক রিঅ্যাকশন শুরু হয় । হিস্টামিন , লিউকোট্রায়েন সি,ডি, ই,  প্রস্টাগ্লান্ডিন , ব্রাডিকাইনিন প্রভৃতি মাস্ট সেল থেকে বের হয় । এদের প্রভাবে শ্বাসনালীসংকুচিত হয় ও মিউকাস নির্গত হয় । ফলে শ্বাসনালীর মধ্যে বায়ু যেতে অসুবিধা হয় । Pa Co , কমে যায় । B2 অ্যাগোনিস্ট ওষুধে এই রিঅ্যাকশন আটকানো যায় । দ্বিতীয় পর্যায়ে দু-তিনভাগ রোগীর ক্ষেত্রে তিন থেকে চার ঘণ্টা পরে হয় । মাস্ট সেল থেকে নির্গত পদার্থ এই পর্যায়ের সূচনা করে । B , অ্যাগোনিস্ট দিয়ে এটা আটকানো যায় না , কিন্তু স্টেরয়েডের ব্যবহারে এর প্রকোপ কমে ।

হাঁপানির কারণ

• খুব জোরে জোরে শ্বাস নেওয়া ।

• ঘন ঘন কাশি যা মূলত রাত্রের দিকে , আবহাওয়ার পরিবর্তনে বা বিভিন্ন অ্যালার্জেনের কারণে বাড়ে । দৌড়লে বা ব্যায়াম করলেও কাশি বাড়তে পারে ।

• বাচ্চা হাঁপিয়ে পড়ে, ঘামতে থাকে এবং নীল হয়ে যায় ।

•বাচ্চা সামনে ঝুঁকে বসে, সোজা হয়ে শুতে কষ্ট হয় । বুকে স্টেথোস্কোপ বসালে রংকাই শুনতে পাওয়া যায় । সামনে থেকে নিঃশ্বাসের সাঁই সাঁই শব্দ শুনতে পাওয়া যায় ।

পরীক্ষা : মূলত চোখে দেখে এবং স্টেথোস্কোপ দিয়ে হাঁপানির ডায়াগনোসিস করা যায় । এছাড়া যেসব ল্যাবরেটরি পরীক্ষা করা হয় সেগুলো হল পালমোনারি ফাংশন টেস্ট , এক্স – রে , রক্তে ইয়োসিনোফিলের সংখ্যা এবং অ্যালার্জি টেস্ট ।

চিকিৎসা

খুব বাড়াবাড়ি হলে তাড়াতাড়ি অক্সিজেন দিয়ে, সঙ্গে টারবুটালিন বা অ্যাড্রেনালিন ইঞ্জেকশন এবং সঙ্গে সালবুটামল বা টারবুটালিন দিয়ে বার বার নেবুলাইজ করতে হয় । সাথে দরকারে ইপ্রাট্রোপিয়াম ব্রোমাইড দেওয়া যায় । সঙ্গে স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন শুরু করে রোগীকে আই . সি . সি . ইউ – তে ভর্তি করতে হয় , তাতেও কমলে থিওফাইলিন ইঞ্জেকশন দিতে হয় । দরকারে রোগীকে ভেন্টিলেটরে দিতে হয় ।

তুলনায় কম হাঁপানি থাকলে বারবার সালবুটাবল নেবুলাইজেশন দিলেই উপশম হয় । রোগী তুলনায় সুস্থ হলে ইনহেলার ব্যবহার শুরু করতে হবে । সাথে মুখে স্টেরয়েড ওষুধ দিতে হয় । অবস্থার উন্নতি হলে নিয়মিত ইনহেলারের মাধ্যমে চিকিৎসা করতে হবে । B , অ্যাগোনিস্ট ড্রামের ( যেমন সালবুটামল ইত্যাদি ) স্টেরয়েড ইনহেলারের নিয়মিত ব্যবহার অবস্থার উন্নতিতে সাহায্যকারী ।

শ্বাসকষ্ট তুলনায় কম থাকলে ইনহেলারের বদলে রোটাহেলার ব্যবহার করা যেতে পারে । বাচ্চাদের হাঁপানিতে যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল সালবুটামল , টারবুটালিন , সালমেটেরল , ফরমেটেরল । ইত্যাদি । এরা সকলেই B , অ্যাগােনিস্ট । এছাড়া স্টেরয়েড গ্রুপের ব্যবহৃত ওষুধগুলোর মধ্যে বুডেসোনাই ড , বেক্সোমেথাসোন , ফুটিকাসোন ইত্যাদি অন্যতম । এছাড়াও মাস্ট সেল স্টেবিলাইজারও ব্যবহার করা হয় । যেগুলো হল ক্রোমোলিন সোডিয়াম , নেডোক্রোমিল সাডিয়াম এবং কিটোটিফেন ।

এছাড়া হাঁপানির চিকিৎসায় নবতম সং যোজন হল লিউকোট্রায়েন ইনহিবিটর যাদের মধ্যে মাল্টিলিউকাস্ট এবং জাফিরলিউকাস্ট অন্যতম । এই ট্যাবলেট দিনে মাত্র একবার এবং মুখে খেতে হয় । কিন্তু এই সব কিছু চিকিৎসা সত্ত্বেও হাঁপানির মূল এবং প্রধান চিকিৎসা হল বাল্যাবস্থায় এর প্রতিরোধের চেষ্টা করা এবং রোগী ও তার বাবা মাকে রােগের তারতম্য এবং চিকিৎসা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল থাকা । কীকী জিনিস থেকে বাচ্চার স্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে তা ভালো করে জানতে হবে । যেমন ধুলো , ধোয়া , পশুপাখির ললাম , অত্যধিক ব্যায়াম বা পরিশ্রম , সাঁতার কাটা বা আবহাওয়ার পরিবর্তন ইত্যাদি । হাঁপানি সাং ঘাতিক আকার ধারণ করার আগেই তার প্রতিকারের চেষ্টা করতে হবে । বাড়িতে ইনহেলার ব্যবহার করলে এক-দু’ মিনিটের ব্যবধানে পাঁচ থেকে দশটি পাফ কিংবা প্রয়োজনে তারও বেশি নিয়ে এবং তার সাথে মুখে স্টেরয়েড ওষুধ খেয়ে এই রোগের তাৎক্ষণিক উপশম অনেকটা সম্ভব । তারপর প্রয়োজন হলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে ।

0 Comments

Leave a Comment